ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ অবসানে প্রাথমিক সমঝোতা ঘোষণার পর ফ্রান্সে অনুষ্ঠিত জি-সেভেন (জি৭) সম্মেলনে যোগ দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সম্মেলনে পৌঁছে তিনি ইরান সংকট নিরসনে অর্জিত অগ্রগতিকে গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক সাফল্য হিসেবে তুলে ধরেন এবং ভবিষ্যতে ইউক্রেন ও লেবাননের সংঘাত নিরসনে উদ্যোগ নেওয়ার ঘোষণা দেন।

১৫ থেকে ১৭ জুন ফ্রান্সের এভিয়ান-লে-বাঁ শহরে অনুষ্ঠিত জি-সেভেন সম্মেলনে বিশ্বনেতারা ইরান পরিস্থিতি, ইউক্রেন যুদ্ধ, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক ভারসাম্যহীনতা এবং গুরুত্বপূর্ণ খনিজ সম্পদের সরবরাহ নিয়ে আলোচনা করছেন।

সম্মেলনস্থলে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাক্রোঁর সঙ্গে যৌথ উপস্থিতিতে ট্রাম্প জানান, উপসাগরীয় অঞ্চলের উত্তেজনা কমাতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে। আগামী শুক্রবার সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় এ চুক্তি আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাক্ষর হওয়ার কথা রয়েছে।

ট্রাম্প আরও জানান, চুক্তির অংশ হিসেবে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি পুনরায় চালুর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে এবং শিগগিরই এটি পুরোপুরি উন্মুক্ত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

তিনি দাবি করেন, ইরান সংকট মোকাবিলায় যুক্তরাষ্ট্র নিজস্ব সক্ষমতার ওপর নির্ভর করে সফলতা অর্জন করেছে। একইসঙ্গে তিনি বলেন, এখন তার প্রশাসনের অগ্রাধিকার হবে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ এবং লেবাননের চলমান সংঘাত নিরসনে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা জোরদার করা।

ট্রাম্পের ভাষ্য অনুযায়ী, ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি এবং রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে তার ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, উভয় পক্ষ আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের পথে এগিয়ে আসবে এবং দীর্ঘদিনের সংঘাতের অবসান ঘটানো সম্ভব হবে।